Archive

Posts Tagged ‘usa’

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফুলব্রাইট বৃত্তি’

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফুলব্রাইট বৃত্তি’
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম সম্মানজনক বৃত্তির নাম ‘ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রাম’। বিশ্বের অন্যতম নামকরা এই বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫৪ জন জয় করেছেন নোবেল পুরস্কার আর ৮২ জন পেয়েছেন পুলিৎজার পুরস্কার। ফুলব্রাইট প্রোগ্রামে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি, শিক্ষা, অর্থনীতি, সাংবাদিকতা, পরিবেশ, নগর উন্নয়ন, পাবলিক পলিসিসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ দেওয়া হয়। বৃত্তির আওতায় অধ্যয়নের ফি থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া-যাতায়াতসহ যাবতীয় খরচ বহন করা হয়।
সম্প্রতি শুরু হয়েছে আবেদনপ্রক্রিয়া। আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী ও কমপক্ষে দুই বছর কাজের অভিজ্ঞতা আছে, এমন মেধাবী শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদনকারীর বয়স ৩২ বছরের কম হতে হবে। টোয়েফলের স্কোর ৮০ অথবা আইইএলটিএস স্কোর ৭ থাকতে হবে।
অনলাইনে বৃত্তির প্রাথমিক আবেদন করতে হবে ৩১ মের মধ্যে।
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ওয়েবসাইটে জানা যাবে ফুলব্রাইট বৃত্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য: https: //goo.gl/LjjDxv

Source – prothom alo

List of Universities/programs not requiring GRE

September 24, 2016 Leave a comment

Following is list of some Universities where GRE is not required for admission for International (or In-state) students. 
University of Dayton

Engineering 
Stevens Institute of Technology

Engineering 
George Mason University

Applied Information Technology (MS)

Civil & Infrastructure Engineering (MS)

Computer Forensics (MS) 
University of Washington

Civil Engineering (MS) 
University of Maryland

Engineering: Professional Master of Engineering (ENPM) 
Iowa State University

Chemical and Biological Engineering (ME)

Civil, Construction, and Environmental Engineering (ME)

Systems Engineering (ME) 
University of Minnesota

Civil Engineering (MS) 
South Dakota State University

Mechanical Engineering (MS)

Computer Science (MS) 
North Carolina State University

Landscape Architecture 
Tufts University

Engineering Management 
Brandeis University

Computer Science (MA/MS) 
New Mexico State University

Economics, Applied Statistics and International Business 
University of Maryland, Baltimore County

Geographic Information Systems (MS)

Applied Sociology 
University of Arizona

Economic Geology 
University of Nebraska-Lincoln

Industrial and Management Systems Engineering 
University of Pittsburgh

Material Science & Engg. 
University of Michigan

InterPro-Integrated Microsystems 

Link here 

All about GRE books

To see and download all of them just  Copy and paste the link below. 

https://drive.google.com/folderview?id=0BzMCbp-_7jS8dXo2aElZU0w0YUE&usp=sharing

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফুলব্রাইট’ বৃত্তি

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষার জন্য অন্যতম সম্মানজনক বৃত্তির নাম ‘ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রাম’। বিশ্বের অন্যতম নামকরা এই বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫৪ জন জয় করেছেন নোবেল পুরস্কার আর ৮২ জন পেয়েছেন পুলিৎজার পুরস্কার। ফুলব্রাইট প্রোগ্রামে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি, শিক্ষা, অর্থনীতি, সাংবাদিকতা, পরিবেশ, নগর উন্নয়ন, পাবলিক পলিসিসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ দেওয়া হয়। বৃত্তির আওতায় অধ্যয়নের ফি থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া-যাতায়াতসহ যাবতীয় খরচ বহন করা হয়।
সম্প্রতি শুরু হয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া। আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী ও কমপক্ষে দুই বছর কাজের অভিজ্ঞতা আছে, এমন মেধাবী শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদনকারীর বয়স ৩২ বছরের কম হতে হবে। টোয়েফলের স্কোর ৮০ অথবা আইইএলটিএস স্কোর ৭ থাকতে হবে।
অনলাইনে বৃত্তির প্রাথমিক আবেদন করতে হবে ২৮ এপ্রিলের মধ্যে।
বৃত্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য: goo.gl/vGff9x
বৃত্তির আবেদন সম্পর্কে জানা জানতে: goo.gl/lssv8D

Appreciation goes to http://m.prothom-alo.com/education/

Questions Professors Generally Ask on a Phone Interview

আপনি যদি রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট পদের জন্য potential applicant হন, তাহলে আপনাকে ওরা স্কাইপ বা ফোন ইন্টারভিউ এর জন্য একটা শিডিউল দেবে। ওরা আগেভাগেই জানিয়ে রাখে সময়সূচী, যাতে ওই সময় আপনি ফ্রি থাকেন। তাছাড়া নেগোশিয়েট করারও সুযোগ থাকে, আপনি দুজনের mutually advantageous একটা সময়ে ইন্টারভিউ দিতে পারেন। মাঝে মাঝে এসব ইন্টারভিউ তে একজনের বেশি (দুজন, বা কখনো তিনজন) ইন্টারভিউয়ার থাকে। এমন হলে ওরা স্কাইপ প্রেফার করে…… ইন্টারভিউ পনেরো মিনিট থেকে তিরিশ-চল্লিশ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।ইন্টারভিউ এর সময় কথার পিঠে কথা আসে। তাই, নির্দিষ্ট কোন প্রশ্নমালা তো নেই। তবুও আসুন, জেনে নেই কিছু কমন প্রশ্ন এবং কিছু স্যাম্পল রেসপন্স……

Your detailed identity

তারা আপনার এই সকল তথ্যই এপ্লিকেশন ফাইল পড়ে জানে, তাও খামাখা জিগায়। বোধহয়, একটু রিল্যাক্স ফিল করানোর জন্য। নিজের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে একটু স্বচ্ছন্দ হয়ে গেলে পরে একটু টেকনিক্যাল প্রশ্ন করবে, এই আর কি। এটার রেসপন্সে আপনি এই তথ্যগুলো দিতে পারেন – Name, country, major, academic background, current status.
Your feeling for becoming student again.

অনেকে পড়াশোনা শেষ করে জব এ ঢোকার পর এপ্লাই করে, অথবা অনেকের আন্ডারগ্র্যাড এর পর দুই এক বছরের গ্যাপও থাকতে পারে, ওদেরকে এই প্রশ্নটা করে। তখন আপনি বলবেন, উরি বাবা, স্টুডেন্ট লাইফ তো রুচি ডাল ভাজা, খেতে ভারী মজা। এভাবে বলতে পারেন, The way I figure, I’ve always been a student, and probably always will be. Even after my PhD, I don’t think I will put an end in learning. As far as being a student in an instituition, that’s totally cool with me. 
Tell me about your future goal after PhD or Masters.

আমরা মনে করি, আমেরিকাতে হায়ার স্টাডি করতে যাওয়ার ব্যক্তিগত কারণের পাশাপাশি দেশের প্রতি কিছু দায়িত্ববোধজনিত কিছু কারণ আছে। আপনার জ্ঞান দেশের মানুষের কাজে লাগবে, and in a broader sense, মানবতার কাজে লাগবে-এটাই পিএইচডি এর আসল কারণ হওয়া উচিৎ। এবং এটাই এই প্রশ্নের বেস্ট উত্তর। কারো মনে যদি সোনালি কেশবতী কোন সুন্দরী আমেরিকান ললনার প্রতিচ্ছবি অথবা গ্রীন কার্ড মাথায় ঘুরপাক খায়, সেটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। এখানে আপনার গ্র্যাজুয়েট স্টাডি’টাকে আপনি কিভাবে কাজে লাগাবেন, সেটার একটা চিত্র দিন। মনে করুন, আপনার পিএইচডি Alzheimer disease নিয়ে। তাহলে বলতে পারেন, Many people in the world suffering from the agony of Alzheimer’s disease. I hope to get a solution for that, or atleast keep the disease at bay. After completing my degree, I picture myself as a faculty member in a university where I can teach students and research peacefully which will pave the way for further research on Alzheimer’s disease in molecular level.
Why you applied for that particular University?

হার্ভার্ড, এমআইটি থাকতে এই ইউনিভার্সিটি ক্যামনে আপনার মনে ধরলো? উত্তরটা ক্রিটিক্যাল। বেশ পরিমিত ভাষায় ওদের ইউনিভার্সিটির গুণগান করতে হবে। বলতে পারেন- It is completely based on my research interest. I have found that University of _________ have research facilities with excellent supervision of the Faculty members in this particular research topic. And based on my merit level, I believe that University of _________’s graduate program is a perfect fit for me. 
এরপর ওদেরকে বুইঝ্যা নিতে দেন, যে ওদের ইউনিভার্সিটির র‍্যাংক কেমন, আর আপনার মেরিট লেভেল কেমন !! একটু পলিটিকস লাগে এই উত্তরটা দিতে। এই জিনিসটা SOP (Statement Of Purpose) লেখার সময়ও কাজে লাগে
Why you choose that particular program?

 কেন এই বিষয়ে আপনার আগ্রহ, সেটা জানাতে হবে। উত্তরটা গতানুগতিক (আমার সারা জীবনের স্বপ্ন এই বিষয়ে রিসার্চ করার, এই টাইপের) না হলেই ভালো। আপনার জীবনের কোন একটা ঘটনা থেকে হঠাৎ এই লাইনে আপনার আগ্রহ জন্মেছে, সেই ঘটনাটা নিয়ে বলুন, এরপর এই স্টাডিটা কেন জরুরী, সেটা বলুন। আপনি যদি শিক্ষক হন, এবং আপনাকে সেই Alzheimer disease নিয়েই যদি বলতে হয়, তাহলে এমন করে বলা যায়- While teaching a course, students often ask me about the cure of Alzheimer (they are probably interested, because they see Alzheimer in so many movies), and I find myself unable to reply. I know that few drugs come into effect for Alzheimer’s disease. But, to find out new molecules with fewer side effects is very urgently needed for Alzheimer’s disease. I think if I am accepted for this program I will try my best with integrity and hard work to find out a potential molecule for recovery of the disease.
আবার আপনি স্টুডেন্ট হলে বলতে পারেন – I saw the disease Alzheimer in many movies, and I was astonished that there is no ultimate cure for this. Then I started reading about this. I came to know that few drugs come into effect for Alzheimer’s disease. But, to find out new molecules with fewer side effects is very urgently needed for Alzheimer’s disease. I think if I am accepted for this program I will try my best with integrity and hard work to find out a potential molecule for recovery of the disease.
What is your research background?

 আগের কোন রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স থেকে থাকলে শেয়ার করুন। না থাকলে বলুন, Though I had interest, I didn’t have the chance to get into any research about this. In our country, we have verylimited facility to reseach in this field. 
Tell us about your weakness.

 এমন উইকনেসের কথা বলবেন, যেটা থেকে একটা গুণের কথা প্রকাশ পাবে। শুনলেই যাতে প্রভু নিজে থেকেই বলে ওঠে, আরে, এটা তো তোমার গুণ, মিয়া !!!
যেমন – Sometimes, I digress from the topic in hand and become infatuated to many other related topics. শুনলে ইন্টারভিউয়ার নিজেই বলবে, I think you will find it useful in doctoral research. 
Why are you thinking that you have the potential for this position?

ঘুরায়ে ফিরায়ে বলে দিতে হবে, আমি একটা হনু !! বলতে পারেন – I can work independently with little guidance and I have patience to work. I can work comfortably in a group. In overall, my research experience in this area makes me competent for this position. 
Will you be able to work independently or in a group? (Communication skill)

 আমি অলরাউন্ডার। বলতে পারেন – I have experience in both. So, I think it will not be a problem either way. 
General knowledge

আপনি স্মার্ট কিনা, সেটা জানার জন্য এই টাইপের প্রশ্ন করতে পারে। তেমন জরুরী কিছু না, তবে এখানে প্রভুকে ইমপ্রেস করার সুযোগ আছে। যেমন – Do you know the temperature of our city? উত্তর দিতে হলে try to learn something about the city of the University before facing interview. 
What you will do if you get chance to join in industry with high salary before completing your PhD?

 টোপ, গিলবেন না কিন্তু !! পিএইচডি-ই এখন আপনার ধ্যান জ্ঞান, মনে থাকে যেন। উত্তর দিতে পারেন এভাবে – I have an inherent tendency to finish what I start. Unfinished and forsaken tasks are spots to me and I don’t want to attach one with my name. But, I am interested in attaching a title “Dr.” in front of my name. So, my first target is to complete the degree. That’s it. 
Have you contacted with any faculty of this department?

 সত্যি কথা বলবেন, যার সাথে ইমেইল চালাচালি করেছেন, যার কাছে ফান্ড আছে বলে গোপন সূত্রে খবর পেয়েছেন, তার কথা বলুন। তিনি নিজেই ইন্টারভিউ বোর্ডে থাকতে পারেন। তাহলে ওনাকে দেখিয়ে বলুন, I have contacted with Dr. ________ regarding our common research interest.
Do you have any question? 

শেষে তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করবে, আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা। ধন্যবাদ জানিয়ে দুটো একটা প্রশ্ন করতে পারেন। একেবারে কোন প্রশ্ন না করলেও সমস্যা। দুই একটা প্রশ্ন মাথায় রাখতে পারেন। এমন কোন প্রশ্ন করবেন না যেটার উত্তর ওদের ওয়েবসাইটে আগে থেকেই দেয়া আছে। এমন প্রশ্ন করলে ওরা বুঝবে যে আপনি আপনার হোমওয়ার্ক ঠিকমত করেন নি।
সাধারণত তারা কোন একাডেমিক প্রশ্ন করেনা, করলেও একদম বেসিক প্রশ্ন করে, ভয়ের কিছু নেই……… সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে, কনফিডেন্স। জ্বি হুজুর আর ঘাড়ত্যাড়া- এই দুই টাইপের মাঝামাঝি টাইপ অ্যাটিটিউড নিয়ে কথা বলতে হবে। ব্যাপারটা informal conversation হিসেবে নেন, কারণ আসলেই ব্যাপারটা তেমন formal নয়।
Be Confident, and rock it !!
শর্ট লিংক – http://on.fb.me/V2R2ky

Appreciation goes to next top – USA Fb group. 

USA student visa. Step by Step

এই লেখাটি তাদের জন্য,যারা USAর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স/পিএইচডিতে অ্যাডমিশন পেয়েছেন এবং এখন F-1 ভিসার জন্য অপেক্ষা করছেন ।

Step-1 : Getting I-20

অ্যাডমিশন ও অফার লেটার পাওয়ার পর ইউনিভার্সিটি থেকে আপনাকে একটা মেইল পাঠাবে, I-20 র জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট চেয়ে।সেগুলো স্ক্যান করে পাঠানোর পর ফিরতি মেইলে আডমিশন অফিসার আপনাকে দুটি অপশন দেবে I-20 শিপমেন্টের জন্য ঃ

১/Regular postal service

2/E-ship via FedEx/DHL

E-ship এর জন্য আপনাকে ডলারে পে করতে হবে (~$54 for DHL/~57 for FedEx ),ওদের ট্রাকিং নাম্বার আছে,কাজেই ডকুমেন্ট ট্র্যাক করা যাবে এবং ৩-৫ দিনে ডকুমেন্ট পৌছাবে ।

আর Postal service এ কোন বাড়তি টাকা পে করতে হয় না,কোন ট্রাকিং নাম্বার নেই এবং ডকুমেন্ট হাতে আসতে দেড়-দুই মাস লাগতে পারে।

কাজেই E-ship এ বাড়তি কিছু খরচ হলেও এটা সেফ , Postal service এর জন্য অনির্দিষ্টকাল বসে থাকলে আপনার ভিসার কাজ পিছিয়ে যাবে এবং জুলাই-আগস্ট মাসে নানা ধরনের অনাকাঙ্খিত ঝামেলায় পড়বেন।

(E-ship এর পেমেন্ট DBBL virtual credit card দিয়ে করা যায়।)

Step-2 : Paying SEVIS fee

I-20 তে SEVIS No. দেয়া থাকে।সেটা দিয়ে অনলাইনে এই সাইটে গিয়ে SEVIS ফী (I-901) পে করতে হয় ($200)|

ফি পেমেন্টের সা্থে সাথে অবশ্যই কনফার্মেশন পেজ সেভ করে রাখুন এবং প্রিন্ট আউট নিন।

(DBBL virtual credit card দিয়ে পেমেন্ট করা যায়।যদি প্রথম চেষ্টায় পেমেন্ট না হয়,তাহলে DBBL card section এ যোগাযোগ করলে ওরা ট্রানজেকশন অথরাইজ করে দেয়,তখন আবার চেষ্টা করলে পেমেন্ট হয় ।)

Step-3 : Applying for Visa

অনলাইনে DS-160 নামে একটা ফর্ম ফিলাপ করতে হয় এই সাইটে গিয়ে|

ফর্ম ফিলাপের কাজ সময় নিয়ে এবং সাবধানে করুন,যাতে কোন ভুল না হয়। ভিসার জন্য স্পেশাল ছবি লাগে (২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি),যেটা ভালো কোন স্টুডিও থেকে তুলতে হয়,যারা ভিসার জন্য ছবি তুলে থাকে। (আমি তুলেছিলাম টয়েনবী সার্কুলার রোডের (বঙ্গভবনের ঠিক উল্টাদিকে ) Studio 27 থেকে।ছবির হার্ডকপি ও সফটকপি দুটোই সংগ্রহ করুন।) এবার সফটকপি ছবিটি ব্যবহার করে DS-160 ফর্ম কমপ্লিট করুন।কনফার্মেশন পেজটি অবশ্যই সেভ করে রাখবেন।

N.B : মেয়েদের DS-160 ফর্ম ছেলেদের থেকে আলাদা।মেয়েদের ক্ষেত্রে “Previous education/training” “additional info” এগুলো চায় না, ছেলেদেরটা চায়, তাই এটা নিয়ে কেউ কনফিউজড হবেন না।

Step-4 : Scheduling Visa Interview

DS-160 র কনফার্মেশন পেজের দুই কপি প্রিন্ট আউট ,দুই কপি ভিসা সাইজ ছবি,সেভিস ফি’র পেমেন্ট রিসিপ্ট এবং ১৩৭২০ টাকা নিয়ে Saimon center এ যাবেন।ওরা ফি নিয়ে আপনাকে ইন্টারভিউ এর ডেট লেখা একটি রিসিপ্ট দেবে।

Saimon center এর ঠিকানাঃ

Saimon Group

House-4A,Road-22

Gulshan-1,Dhaka-1212

Tel : (880)(02)9893964

(Opposite to Hotel Washington)
Step-5 : Facing Visa Interview

ইন্টারভিউয়ের দিন প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট নিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই American Embassy তে চলে যান।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট যা নিতে হবে ঃ (প্রথম সাতটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ )

i. I20 form

ii. Passport

iii. SEVIS Fee Payment Confirmation

iv. DS-160 Confirmation page

v. VISA Application fee payment document (MRV fee doc from Saimon center)

vi. Offer Letter

vii. GRE+TOEFL Score

viii. Undergrad. Transcript+Certificates

ix. SSC, HSC Marksheet+Certificate+Testimonial

x. Birth Certificate+National ID

xi. TIN Certificate (optional)

xii. Photo

xii. Job Certificate + NOC Letter

xiv. Public Notary of Fathers asset (optional)

xv. Personal Bank Balance Certificate (optional for students with full funding but mandatory for the applicants who are self-funded)

xvi. National Certificate/Chairman certificate (optional)

xvii. Marriage Certificate with Photo for F2 VISA applicant

courtesy

যুক্তরাষ্ট্র ১ লক্ষ ৮০ হাজার অভিবাসী নেবে : সুযোগ পাবেন বাংলাদেশীরাও

ক্যারিয়ারের নতুন দিগন্ত যুক্তরাষ্ট্রে! যুক্তরাষ্ট্র সরকার সম্প্রতি এইচ১বি ভিসায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার সম্প্রতি এইচ১বি ভিসায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। কাজেই প্রযুক্তি বিষয়ে যারা পড়ালেখা করেছেন এবং ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি বড় সুযোগ। আমাদের দেশের বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যা আমাদের জন্য যেমন বড় ধরনের একটি সমস্যা, তেমনি এই জনসংখ্যাই আমাদের সম্ভাবনার জায়গা। আমাদের দেশে জনগোষ্ঠীর মধ্যে তরুণদের সংখ্যাধিক্য রয়েছে। সময়ের সাথে সাথে জনসংখ্যা বাড়লেও কাজের ক্ষেত্র বাড়ছে না। ফলে বেকারত্বের পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনেক তরুণকেই বেকারত্ব বরণ করে নিতে হচ্ছে উচ্চশিক্ষা লাভের পরও। স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পরেও ভালো চাকরি পায় না অনেকেই। ফলে হতাশ হয়ে যেতে হয়। আবার গত কয়েক বছরে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কাজের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। অনেক দেশই আবার মন্দার প্রভাবকে কাটিয়ে উঠতে পেরেছে সফলভাবে। ফলে সেসব দেশে আবার কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মালয়েশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সরকারিভাবে কাজের জন্য যাওয়ার সুযোগ থাকলেও উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে এ ধরনের সুযোগ নেই। তবে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতেও রয়েছে কাজের সুযোগ। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আইটি খাতে তৈরি হয়েছে অভিবাসীদের জন্য কাজের ক্ষেত্র। আমাদের দেশে তাই যারা আইটি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়ালেখা করছে, তাদের জন্য তাই যুক্তরাষ্ট্রের মতো স্বপ্নের দেশে মিলতে পারে কাজের সুযোগ। এইচ১বি ভিসায় সুযোগ: বলা যায় এখন গোটা বিশ্বই শাসন করছে প্রযুক্তি খাত। প্রযুক্তির জয়জয়কার চলছে সারা বিশ্বে। একটা সময় পর্যন্ত উন্নত দেশগুলোর মধ্যেই প্রযুক্তি সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন প্রযুক্তি আর নির্দিষ্ট কোনো দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তবে তারপরেও উন্নত বিশ্বের দেশগুলো এখনও প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে। এ ক্ষেত্রে তো যুক্তরাষ্ট্রের কথা বলাই বাহুল্য। প্রযুক্তি বিশ্বে এখনও নেতৃত্ব দিয়েই যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা স্বল্পতা তাদের অগ্রগতিকে অনেকটাই থামিয়ে দিয়েছে। সেই কারণেই অনেকদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দাবি জানিয়ে আসছে সরকারের কাছে, যাতে প্রযুক্তি খাতে বাইরের দেশগুলো থেকে চাকরির জন্য মানুষের অভিবাসন প্রক্রিয়াটি সহজ হয়। বিশেষ করে তারা এইচ১বি ভিসার আওতায় আরও বেশি মানুষ যাতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারে, সে বিষয়ে দাবি জানায় সরকারের কাছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের দেশগুলোর জন্য খুশির খবর হচ্ছে, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির মুখে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এইচ১বি ভিসায় বছরে ১ লক্ষ ৮০ হাজার কর্মী নিয়োগের জন্য সম্মত হয়েছে। উল্লেখ্য, এইচ১বি ভিসা যুক্তরাষ্ট্র সরকারপ্রদত্ত এমন এক ধরনের ভিসা যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাইরের দেশের কর্মীকে নিয়োগের সুযোগ করে দেয়। আইটি খাতে প্রয়োজন জনবল গত মে মাসের শেষের দিকেই যুক্তরাষ্ট্র সরকার পাশ করে এইচ১বি ভিসার বিলটি। এর ফলে আইটি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন যুক্তরষ্ট্রের বাইরের দেশগুলো থেকে নিজেদের জন্য জনবল নিয়োগ করার সুযোগ পাবে। ফলে আইটি সংশ্লিষ্ট ডিগ্রি যাদের রয়েছে, তাদের জন্য এটা বড় একটি সুযোগ। যুক্তরাষ্ট্রে এখন আইটি খাতে রয়েছে প্রচুর নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান। বড় বড় টেক জায়ান্টগুলোর তুলনায় নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোতেই মূলত বেশি লোকবল প্রয়োজন। আর এরাই সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের জনগোষ্ঠীকে নিয়োগ দিয়ে থাকে। সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রে এইচ১বি ভিসায় লোকবল নিয়োগের বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক। প্রতি বছরই আমাদের দেশ থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা আইটি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থীই ডিগ্রি লাভ করছে। যাদের এই খাতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন রয়েছে, তাদের জন্য এটি বড় একটি সুযোগ। গত কয়েক বছরে আউটসোর্সিং খাতে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী যেমন ভারত, তেমনি এখানটাতেও ভারতই আমাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী। ভারত থেকে আইটিতে প্রতি বছরেই প্রচুর শিক্ষার্থী বের হচ্ছে। এর বাইরে চীনেও আইটি বিষয়ে প্রচুর শিক্ষার্থী বের হলেও ইংরেজিতে দক্ষতার কারণেই পিছিয়ে রয়েছে চীনারা, আর সেই জায়গাতে এগিয়ে রয়েছে ভারত। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের তুলনায় ভারতের শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে দক্ষতা বেশি। ফলে তারাই একটু বেশি অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে এসব ক্ষেত্রে। তবে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইদানিং ইংরেজিতে ভালো অবস্থা দেখা যায়। সেক্ষেত্রে ভারতের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এগিয়ে যেতে হবে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের। সম্প্রতি সিএনবিসি টিভি১৮-এর এক প্রতিবেদন থেকে অবশ্য জানা যায়, গত বছরে এইচ১বি ভিসার জন্য ভারত থেকে আবেদনকৃতদের প্রায় ৬০ শতাংশ আবেদন বাতিল করা হয়। ফলে এই ক্ষেত্রে ভারতের প্রাধান্য কিছুটা হলেও কম থাকবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর সেই সুযোগটিই গ্রহণ করতে পারবে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। প্রয়োজন আইটি ডিগ্রি এইচ১বি ভিসায় যেহেতু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যই মূলত নিয়োগ করা হবে, কাজেই আইটি বিষয়ে ভালো একটি ডিগ্রি থাকলে আবেদন করা যাবে। সেক্ষেত্রে সরকারি বা বেসরকারি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা আইটি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। আর ডিগ্রির পাশাপাশি কাজ জানতে হবে। অনেক সময় একাডেমিক রেজাল্ট কিছুটা খারাপ হলেও কোনো বিষয়ের উপর গভীর জ্ঞান আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। এর সাথে সাথে ইংরেজি বিষয়েও ভালো জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। নইলে যোগাযোগটা ভালোমতো হবে না। যেভাবে আবেদন করবেন: এইচ১বি ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে অনলাইনেই। http://www.h1bvisa.org। সাইটে গিয়ে আবেদন করা যাবে। এই সাইটেই আবেদন করার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। http://www.immihelp.com/visas/h1b/h1-visa-faq.html এবং http://www.path2usa.com/h1b-visa-guide সাইট থেকেও এইচ১বি ভিসা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জেনে নিতে পারবেন। http://www.path2usa.com/h1b-visa-guide

Tags: , , , , , , ,
%d bloggers like this: